Bhooutik Golpo
শনিবার, ৭ জুলাই, ২০১২
মাসিক ভৌতিক ষষ্ঠ সংখ্যা
বুধবার, ২০ জুন, ২০১২
ছায়ালীন - মোঃ জাফর ইকবাল
ভৌতিক গল্পের বই। বইটি ডাউনলোড করে নিচের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন ৷
ছায়ালীন - মোঃ জাফর ইকবাল
https://www.box.com/s/q24tmkvk1zcfdscc930f
শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১২
কোব্বলা শেষ পর্ব
ড. হায়দার মবিন
মবিন সাহেব অতি সজ্জন ব্যক্তি। নিখুঁত ভদ্রলোক। গল্প-উপন্যাসের অ্যাবসেন্ড মাইন্ডেড প্রফেসরদের
মতো উদ্ভট পোশাক পড়া কিংবা উল্টাপাল্টা হাস্যকর কান্ডকারখানাও করে বেড়ান না তিনি। কিন্তু পাড়ার লোকজন তাকে একটু সন্দেহের চোখেই দেখে। কারণ আর কিছুই না, তার গবেষণার বিষয়বন্তু। সারা দুনিয়ার মেধাবীরা যখন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন শাখায় গবেষণা করছে, তখন ড. হায়দার মবিন গবেষণার বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছেন প্রেততত্ত্ব। যুক্তরাষ্ট্রেও ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পড়তে গিয়ে সাত বছর মার্কিন মুল্লুকে কাটিয়ে আসেন
তিনি। এ সমটির বেশিরভাগই তিনি ব্যয় করেছেন প্রেততত্ত্বর গবেষণায়। ইউনিভার্সিটির ডর্মের রুমমেট জেসনের পাল্লায় পড়ে প্রথম এ বিষয়ে আগ্রহ জন্মায়। জেসন ছিল প্রেস সাধকদের একটি চক্রের সদস্য। হায়দার মবিন অবশ্য জেনসের পথে হাঁটেননি। প্রেত বা অশুভ আত্মার স্বরূপ সন্ধানে গবেণা করেছেন তিনি। কিভাবে এসব অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করা যায় সে বিষয়টিই ছিল তার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। অশুভ শক্তি নিয়ে গবেষণার জন্য কোথায় কোথায় না গিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের তাবৎ শহর থেকে শুরু করে পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল কিছুই বাদ রাখেন নি। অবশ্য যে বিষয়ে পড়তে গিয়েছিলেন তাতেও একটা ডিগ্রি নিয়ে ফিরেছিলেন। ভাগ্যিস এ কাজটা করেছিলেন, নয়তো দেশে ফিরে গ্রাসাচ্ছাদনই মুশ্কিল কয়ে পড়তো। এখানেতো আর কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ভুততত্ব’ পড়ানো হয় না।
মবিন সাহেব অতি সজ্জন ব্যক্তি। নিখুঁত ভদ্রলোক। গল্প-উপন্যাসের অ্যাবসেন্ড মাইন্ডেড প্রফেসরদের
মতো উদ্ভট পোশাক পড়া কিংবা উল্টাপাল্টা হাস্যকর কান্ডকারখানাও করে বেড়ান না তিনি। কিন্তু পাড়ার লোকজন তাকে একটু সন্দেহের চোখেই দেখে। কারণ আর কিছুই না, তার গবেষণার বিষয়বন্তু। সারা দুনিয়ার মেধাবীরা যখন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন শাখায় গবেষণা করছে, তখন ড. হায়দার মবিন গবেষণার বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছেন প্রেততত্ত্ব। যুক্তরাষ্ট্রেও ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পড়তে গিয়ে সাত বছর মার্কিন মুল্লুকে কাটিয়ে আসেন
তিনি। এ সমটির বেশিরভাগই তিনি ব্যয় করেছেন প্রেততত্ত্বর গবেষণায়। ইউনিভার্সিটির ডর্মের রুমমেট জেসনের পাল্লায় পড়ে প্রথম এ বিষয়ে আগ্রহ জন্মায়। জেসন ছিল প্রেস সাধকদের একটি চক্রের সদস্য। হায়দার মবিন অবশ্য জেনসের পথে হাঁটেননি। প্রেত বা অশুভ আত্মার স্বরূপ সন্ধানে গবেণা করেছেন তিনি। কিভাবে এসব অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করা যায় সে বিষয়টিই ছিল তার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। অশুভ শক্তি নিয়ে গবেষণার জন্য কোথায় কোথায় না গিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের তাবৎ শহর থেকে শুরু করে পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল কিছুই বাদ রাখেন নি। অবশ্য যে বিষয়ে পড়তে গিয়েছিলেন তাতেও একটা ডিগ্রি নিয়ে ফিরেছিলেন। ভাগ্যিস এ কাজটা করেছিলেন, নয়তো দেশে ফিরে গ্রাসাচ্ছাদনই মুশ্কিল কয়ে পড়তো। এখানেতো আর কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ভুততত্ব’ পড়ানো হয় না।
কোব্বলা পর্ব ৩
আবুল খায়ের
খুব বড় ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অসুস্থ্যতা না থাকলে প্রতি ওয়াক্তের নামাজ মসজিদে গিয়েই পড়ার চেষ্টা করেন খায়ের সাহেব। দীর্ঘ দিনের অভ্যাস। আস সালাতুল খাইরুল মিনাননাউম.. .. .. ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম- মুয়াজ্জিনের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আলস্য ঝেড়ে বিছানায় উঠে বসেন।
পা বাড়ান মসজিদের দিকে। কাল রাত থেকেই আকাশে মেঘ, সকালেও এর রেশ রয়ে গেছে। সদর দরজা খুলে রাস্তায় পা দিতেই একটা দৃশ্য নজর কেড়ে নেয়। বিভৎস এই দৃশ্য থেকে চোখ ফেরানো মুশ্কিল আবার এর দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকাও সম্ভব নয়। বাড়িরগেটের সামনেই একটি মৃত কুকুর পড়ে আছে। কুকুরটির পেছনের অর্ধেকটা উধাও, মনে হয় কেউ যেন খুবলে খেয়ে নিয়েছে কুকুরের পেছনের দুটো পাসহ অর্ধেকটা। পেটের কাছ থেকে সামনের দুটো পা আর মাথাটা নিয়ে নিথর
পড়ে আছে কুকুরটি। নারিভুরি ছড়িয়ে আছে রাস্তায়। পুরো রাস্তা রক্তে মাখামাখি। দৃশ্যটির মধ্যে এমন এক অমানুষিক ব্যপার রয়েছে যা খায়ের সাহেবের পুরো অস্তিত্বকে কাঁপিয়ে দেয়।
খুব বড় ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অসুস্থ্যতা না থাকলে প্রতি ওয়াক্তের নামাজ মসজিদে গিয়েই পড়ার চেষ্টা করেন খায়ের সাহেব। দীর্ঘ দিনের অভ্যাস। আস সালাতুল খাইরুল মিনাননাউম.. .. .. ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম- মুয়াজ্জিনের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আলস্য ঝেড়ে বিছানায় উঠে বসেন।
পা বাড়ান মসজিদের দিকে। কাল রাত থেকেই আকাশে মেঘ, সকালেও এর রেশ রয়ে গেছে। সদর দরজা খুলে রাস্তায় পা দিতেই একটা দৃশ্য নজর কেড়ে নেয়। বিভৎস এই দৃশ্য থেকে চোখ ফেরানো মুশ্কিল আবার এর দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকাও সম্ভব নয়। বাড়িরগেটের সামনেই একটি মৃত কুকুর পড়ে আছে। কুকুরটির পেছনের অর্ধেকটা উধাও, মনে হয় কেউ যেন খুবলে খেয়ে নিয়েছে কুকুরের পেছনের দুটো পাসহ অর্ধেকটা। পেটের কাছ থেকে সামনের দুটো পা আর মাথাটা নিয়ে নিথর
পড়ে আছে কুকুরটি। নারিভুরি ছড়িয়ে আছে রাস্তায়। পুরো রাস্তা রক্তে মাখামাখি। দৃশ্যটির মধ্যে এমন এক অমানুষিক ব্যপার রয়েছে যা খায়ের সাহেবের পুরো অস্তিত্বকে কাঁপিয়ে দেয়।
কোব্বলা পর্ব ২
একটা দু:স্বপ্ন দখে ঘুম ভেঙ্গে যায় রিমির। বুকটা ধ্বক ধ্বককরতে থাকে। গলা শুকিয়ে কাঠ। বালিশের পাশ থেকে মোবাইল ফোনটা খুঁজে নিয়ে বোতাম টিপে সময় দেখে। ভোর ৪টা ২২ মিনিট। ঠিক এসময় চারদিক থেকে ভেসে আসে ফজরের আজানের ধ্বনি। বিছানায় শুয়ে শুয়ে একের পর এক মসজিদ থেকে ভেসে আসা আজান শুনতে শুনতে একটু আগে দেখা স্বপ্নটা মনে করার চেষ্টা করে রিমি। কিন্তু কী আশ্চর্য! কিছুই মনে পড়ছে না। অথচ, সেই দু:স্বপ্নের রেশ এখনও আছে। গায়ের সবগুলো লোম খাড়া হয়ে আছে। বুকের ভেতর এখনও উলট পালট হচ্ছে।দাদী বলতেন, ভোরের স্বপ্ন
নাকি সত্যি হয়। কথাটি মনে পড়ে আবারও নতুন করে আতঙ্ক জাগে রিমির ভেতর। অজানা আশঙ্কায়
বুকটা কাঁপতে থাকে। বান্ধবীদের কাছে শুনেছে বিয়ের আগে নাকি মেয়েদের মনে অনেক রকম অজানা ভয়-আতঙ্ক তৈরি হয়। হয়তো নতুন পরিবেশে, নতুন একজন মানুষের সঙ্গে জীবন যাপনের অনিশ্চয়তা থেকেই এই আতঙ্কের সৃষ্টি। কিন্তু যার সঙ্গে রিমির বিয়ে হচ্ছে সে তো তার কাছে নতুন
কেউ নয়। সেই কৈশরে যখন নিজের ভেতর রহস্যময় পরিবর্তনগুলো টের পাচ্ছিলো, তখন থেকেই এই মানুষটিকে মনে প্রাণে চাইছে সে। প্রথমে এই ভালোলাগাটি ছিল নিছক মুগ্ধতা মাখানো বিষ্ময়। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝতে পারে, এই মানুষটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে তার নিয়তি।
নাকি সত্যি হয়। কথাটি মনে পড়ে আবারও নতুন করে আতঙ্ক জাগে রিমির ভেতর। অজানা আশঙ্কায়
বুকটা কাঁপতে থাকে। বান্ধবীদের কাছে শুনেছে বিয়ের আগে নাকি মেয়েদের মনে অনেক রকম অজানা ভয়-আতঙ্ক তৈরি হয়। হয়তো নতুন পরিবেশে, নতুন একজন মানুষের সঙ্গে জীবন যাপনের অনিশ্চয়তা থেকেই এই আতঙ্কের সৃষ্টি। কিন্তু যার সঙ্গে রিমির বিয়ে হচ্ছে সে তো তার কাছে নতুন
কেউ নয়। সেই কৈশরে যখন নিজের ভেতর রহস্যময় পরিবর্তনগুলো টের পাচ্ছিলো, তখন থেকেই এই মানুষটিকে মনে প্রাণে চাইছে সে। প্রথমে এই ভালোলাগাটি ছিল নিছক মুগ্ধতা মাখানো বিষ্ময়। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝতে পারে, এই মানুষটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে তার নিয়তি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

