পৃষ্ঠাসমূহ

মঙ্গলবার, ২৯ মে, ২০১২

ভৌতিক কিছু জায়গা


>>>>ভারতের রাজস্থানের বেনগার দুর্গকে রীতিমত সরকারিভাবে ভূতুড়ে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। পৌরাণিক মতাদর্শানুযায়ী , রাণী রত্নাবালী এবং রাজা সিংশিব্রার মধ্যে এক তুমূল তান্ত্রিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এখানে এবং রাজা সে যুদ্ধে পরাজয় বহন পূর্বক মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তিনি মৃতর পূর্বে অভিশাপ দিয়ে যান যে,যে ব্যক্তি সূর্য উদয় হবার আগে এবং সূর্য অস্ত যাবার পড়ে এখানে অবস্থান করবে তার মৃত্যু হবে।সম্প্রতি আর্কিওলোজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া স্থানটিকে “হন্টেড” বা ভূতুড়ে ঘোষণা করেছে।

>>>>প্যারিসের ক্যাটাকম্ব জাদুঘর টি মূল শহরের মাটির নিচে একটি টানেল আকারে গড়ে তোলা। প্রায় ষাট লাখ মানব কংকাল দিয়ে এটি গড়ে তোলা হয়েছে। শোনা যায়,মৃতদের আত্মা নাকি এই টানেলে প্রায়ই দৃশ্যমান হয়। কেউ কেউ নেদারল্যান্ডের অ্যানাফ্রাঙ্ক জাদুঘরকেও ভূতুড়ে বলে আখ্যা দেয়।কারণ অনেকে নাকি একটি বালিকাকে জানালার পাশে নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছে।

শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১২

ভৌতিক ৪

১৯৯৬ সাল।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ।

ঘটনা টি শোনা আমার নানার কাছ থেকে। কতখানি সত্য তা আমার জানা নাই তবে ঘটনা টি সত্যই বলা চলে। কারন তখন আমি বেশ ছোট এবং ঘটনাটি আমার নানা নিজ চোখে দেখেছিলেন।

দুই বান্ধবী মিলি এবং মমতা। ছোট বেলা থেকেই দুই জন এক সাথেই পড়াশোনা করে। মেডিকেল কলেজে এক সাথে ভর্তি হয়েছে। এক রুমে থাকে। দুইজন এর পরিচয় ছোট বেলা থেকে । তাই সব কাজ দুই জন এক সাথে করত।

এক দিন মর্গে প্রেকটিকেল এর কাজ পরল দুইজন এর। লাশ কেটে পোস্ট মরটেম করা শিখান হচ্ছে। মিলি থেকে মমতা একটু ভাল ছাত্রী। মমতা মনোযোগ দিয়ে লাশ কাটছিল। ক্লাস শেষ এ সবাই মর্গ থেকে বের হলেও মমতা খেয়াল করল না । সে মনে করল মিলি তার পাশে আছে। মর্গ থেকে বাইরে বোঝা যায়না যে রাত না দিন। এই দিকে মিলি মনে করল যে মমতা রুম এ চলে গেছে। ও একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম দিনটি ছিল বৃহস্পতি বার। শুক্র বার কলেজ বন্ধ থাকে। এই দিক এ মমতাকে ভিতরে রেখে মর্গ এর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শনি বার মর্গ এর দরজা খুলতে গিয়ে ভিতরে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যায়। ভিতরে গিয়ে যা দেখা যায় তা হল মমতা অস্বাভাবিক আচরন করছে। ওকে দেখতে অনেক খানি হিংস্র প্রানির মত লাগছে। ওর মাথার চুল সাদা হয়ে গেছে। এবং মর্গে যত লাশ ছিল সব কয়টা ছিল ছিন্নভিন্ন। মমতাকে দেখে চেনা যাচ্ছিল না। যাকে দেখছিল তাকেই ও আক্রমন করছিল। শেষ পর্যন্ত মমতা কে গুলি করে মারা হয়। মমতাকে মারতে গুলি লেগেছিল ১১ টি।

এই ঘটনার ২ মাস পর মিলি আত্মহত্যা করে। কারন মিলি মনে করত মমতা ওর কারনে মারা গিয়েছে। ওই মর্গে এর পর কখনও কোন ক্লাস হয় নাই…………।

বুধবার, ২৩ মে, ২০১২

ভৌতিক ৩

দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় একবার চোর সন্দেহে একটা ৯ বছরের বাচ্চা ছেলেকে পিটিয়ে মেরে ফেলে কিছু
যুবক। বাচ্চাটার দোষ ছিল যে সে তার কাকার বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন চুরি করেছে। তবে বাচ্চাটাকে মেরে ফেলার
পর রাত ৯টার দিকে সেই ফোন খুঁজে পাওয়া যায়। ফোনটা আসলে বিছানার নিচে পড়ে গড়িয়ে একটু ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলো। যাই হোক, বাচ্চাটার লাশ কবর দেয়া হয় যথাসময়ে। ঘটনার কয়েকদিন পর থেকে সেই বাড়ির লোকদের মধ্যে এক অজানা ভীতি কাজ করতে লাগলো। অনেকেই বলতে লাগলো সেই বাড়ির টিনের চালে নাকি ঠিক সন্ধ্যাবেলা একটা ছোট বাচ্চাকে বসে থাকতে দেখা যায়। কেউ একা থাকলে তাকে দেখে পায়। একত্রে অনেক মানুষথাকলে বা কেউ দেখার পর অন্য কাউকে ডেকে আনলে তাকে আর দেখা যায় না। বাড়ির লোকজন এই নিয়ে মসজিদের ইমামের সাথে কথা বলেন। পরে সেই বাসার প্রতিটি ঘর মিলাদ পড়ে বাঁধিয়ে দেয়া হয়। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। বাড়িটি বাঁধিয়ে দেয়ার পর অনেকেই রাস্তায় সেই ছেলেটির কবরের পাশে কাউকে বসে থাকতে দেখতে পান।

ভৌতিক ২

ভুত জানি না কি? তবে পৃথিবীতে এমন কিছু
জিনিস আছে যা আসলেই অলৌকিক । আমার
জীবনে এমনই একটা রহস্য আছে যা আজ পর্যন্ত
আমার কাছে অজানাই রয়ে গেছে ।
আজকে আপনাদের সেই ঘটনাটাই শোনাবো ।
আমি তখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন আমার মামার বাড়ি গেলাম । আমার মামাদের গরুর
বাতান (চারনভূমি) আছে ।ওই জায়গাটা গ্রাম
থেকে বেশ খানিকটা দূ্রে ।হেটে যেতে প্রায়
৫০ মিনিট সময় লাগে । বাসা থেকে কিছু দূর
গেলেই শুধু মাঠ আর মাঠ
চোখে পড়ে কোনো বাড়িঘর দেখা যায় না । একদিন আমি আর আমার মামাতো ভাই মিশুক
দুজন মিলে মামাদের বাতানে গেলাম ।

ভৌতিক ১

এ গল্পটা আমার এক বন্ধুর স্ত্রীর গল্প।
বন্ধুটি অত্যন্ত হ্যান্ডসাম-
একেবারে মেয়েদের মত টোবা টোবা গাল-
দুধে আলতা গায়ের রং।
চাকরীসূত্রে একটা ছোট্ট জেলাশহরে থাকি-
সেখানেই পরিচয়। সদা হাসিমুখ প্রাণবন্ত ধরনের ছেলে, একটা কলেজের লেকচারার।
অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত।
সে যে বিয়ে করে ফেলেছে এই বিষয়টাই
প্রথমে জানতাম না। ঘটনাক্রমে একদিন ওদের
বাসায় (সে শ্বশুর বাড়িতেই থাকত) গিয়ে ওর
স্ত্রীর সংগে পরিচয়। সত্যি বলতে কি প্রথম দেখায় মনে করেছিলাম মাতৃস্থানীয়া কেউ।
কিন্তু যাদের সংগে গেছি তারা অবলীলায়
ভাবি ভাবি করে ডাকছিল। তিনিও বেশ
স্বচ্ছন্দে ওদের সংগে তাল মেলাচ্ছেন। শুধু
যে আমার বন্ধুটি অপেক্ষা পর্যাপ্ত
বয়স্কা তাই নয়- কালো ভদ্রমহিলার গ্লামারের শেষ সলতেটুকুও নিভু নিভু।