ভুত জানি না কি? তবে পৃথিবীতে এমন কিছু
জিনিস আছে যা আসলেই অলৌকিক । আমার
জীবনে এমনই একটা রহস্য আছে যা আজ পর্যন্ত
আমার কাছে অজানাই রয়ে গেছে ।
আজকে আপনাদের সেই ঘটনাটাই শোনাবো ।
আমি তখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন আমার মামার বাড়ি গেলাম । আমার মামাদের গরুর
বাতান (চারনভূমি) আছে ।ওই জায়গাটা গ্রাম
থেকে বেশ খানিকটা দূ্রে ।হেটে যেতে প্রায়
৫০ মিনিট সময় লাগে । বাসা থেকে কিছু দূর
গেলেই শুধু মাঠ আর মাঠ
চোখে পড়ে কোনো বাড়িঘর দেখা যায় না । একদিন আমি আর আমার মামাতো ভাই মিশুক
দুজন মিলে মামাদের বাতানে গেলাম ।
ওখানকার পরিবেশ দেখে ওখানেই সারাদিন
থেকে গেলাম ।বিকালে পাশের
নদীতে নৌকাতে ঘুরলাম ।প্রায়
সন্ধ্যা হয়ে আসলো ।মিশুক আমাকে নিয়ে একা যাওয়ার সাহস পেল না ।
সে আমাদের এগিয়ে দেওয়ার জন্য ওদের
রাখালকে বললো ।আমি বললাম কেন ? ও শুধু
বললো কিছু না । আমি আর কিছু জিজ্ঞাস করলাম
না ।এরপর আমরা তিনজন বাড়ির
দিকে রওনা হলাম । প্রায় কুড়ি মিনিট পর আমরা একটা চৌরাস্তার মোড়ে এসে পৌছুলাম ।
চৌরাস্তার
মোড়ে এসে যে রাস্তাটা সোজা চলে যায়
সেটা আমার মামার বাড়ির দিকে গেছে ।তাই
আমরা সোজা রাস্তা বরাবর হাটতে শুরু করলাম
। কিন্তু, বেশ কিছুক্ষন হাটার পর আমাদের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো যখন দেখলাম
আমাদের সামনে আবার ওই চৌরাস্তার মোড়ই ।
আমার গলা শুকিয়ে আসলো । আমি মিশুকের
মুখের দিকে তাকালাম, ওর মুখেও স্পষ্ট
আতংকের ছাপ দেখতে পেলাম । তারপর দুজনেই
রাখাল মামার দিকে চাইলাম । উনি দেখলাম আবার সোজা হাঁটা শুরু করলেন ।আমরাও তার
পেছনে হাটতে থাকলাম । আবার কিছুক্ষন
হাটার পর আবার ঐ একই অবস্থা। আবার
সামনে চৌরাস্তার মোড়। এবার আমাদের ভয়
আরো বেরে গেল,অন্ধকারটা যেন আরও গভীর
হয়ে গেল । আমি আর মিশুক দুজনেই রাখালের দিকে চাইলাম, কিন্তু কিছু বলতে পারলাম
না । কেন জানিনা, হয়তো ভয়ে,
অথবা অন্যকিছু। রাখাল তখন আমাদের ভয়
করতে নিষেধ করল। তিনি তখন একটা ম্যাচ
বের করে আগুন জালালেন আর বললেন
পেছনে না তাকাতে । এটা বলেই তিনি হাটা শুরু করলেন ।
এভাবে আরো কিছুক্ষন হাটার পর আমরা যখন
বাসার আলো দেখতে পেলাম তখন
ভয়টা কেটে গেল । যদিও ম্যাচের আলো কখন
নিভে গিয়েছিল তা টের পাইনি। তবুও সেই
যাত্রা ভালোয় ভালোয় বাসা এসে পৌছেছিলাম।
পড়ে জানতে পেরেছিলাম যে ঐ জায়গাটায়
এরকম ঘটনা আরো বহুবার ঘটেছে। এখন
এটাকে কি আ্পনারা ভৌতিক ঘটনা বলবেন
না অন্যকিছু এটা আপনারাই ঠিক করুন
জিনিস আছে যা আসলেই অলৌকিক । আমার
জীবনে এমনই একটা রহস্য আছে যা আজ পর্যন্ত
আমার কাছে অজানাই রয়ে গেছে ।
আজকে আপনাদের সেই ঘটনাটাই শোনাবো ।
আমি তখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন আমার মামার বাড়ি গেলাম । আমার মামাদের গরুর
বাতান (চারনভূমি) আছে ।ওই জায়গাটা গ্রাম
থেকে বেশ খানিকটা দূ্রে ।হেটে যেতে প্রায়
৫০ মিনিট সময় লাগে । বাসা থেকে কিছু দূর
গেলেই শুধু মাঠ আর মাঠ
চোখে পড়ে কোনো বাড়িঘর দেখা যায় না । একদিন আমি আর আমার মামাতো ভাই মিশুক
দুজন মিলে মামাদের বাতানে গেলাম ।
ওখানকার পরিবেশ দেখে ওখানেই সারাদিন
থেকে গেলাম ।বিকালে পাশের
নদীতে নৌকাতে ঘুরলাম ।প্রায়
সন্ধ্যা হয়ে আসলো ।মিশুক আমাকে নিয়ে একা যাওয়ার সাহস পেল না ।
সে আমাদের এগিয়ে দেওয়ার জন্য ওদের
রাখালকে বললো ।আমি বললাম কেন ? ও শুধু
বললো কিছু না । আমি আর কিছু জিজ্ঞাস করলাম
না ।এরপর আমরা তিনজন বাড়ির
দিকে রওনা হলাম । প্রায় কুড়ি মিনিট পর আমরা একটা চৌরাস্তার মোড়ে এসে পৌছুলাম ।
চৌরাস্তার
মোড়ে এসে যে রাস্তাটা সোজা চলে যায়
সেটা আমার মামার বাড়ির দিকে গেছে ।তাই
আমরা সোজা রাস্তা বরাবর হাটতে শুরু করলাম
। কিন্তু, বেশ কিছুক্ষন হাটার পর আমাদের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো যখন দেখলাম
আমাদের সামনে আবার ওই চৌরাস্তার মোড়ই ।
আমার গলা শুকিয়ে আসলো । আমি মিশুকের
মুখের দিকে তাকালাম, ওর মুখেও স্পষ্ট
আতংকের ছাপ দেখতে পেলাম । তারপর দুজনেই
রাখাল মামার দিকে চাইলাম । উনি দেখলাম আবার সোজা হাঁটা শুরু করলেন ।আমরাও তার
পেছনে হাটতে থাকলাম । আবার কিছুক্ষন
হাটার পর আবার ঐ একই অবস্থা। আবার
সামনে চৌরাস্তার মোড়। এবার আমাদের ভয়
আরো বেরে গেল,অন্ধকারটা যেন আরও গভীর
হয়ে গেল । আমি আর মিশুক দুজনেই রাখালের দিকে চাইলাম, কিন্তু কিছু বলতে পারলাম
না । কেন জানিনা, হয়তো ভয়ে,
অথবা অন্যকিছু। রাখাল তখন আমাদের ভয়
করতে নিষেধ করল। তিনি তখন একটা ম্যাচ
বের করে আগুন জালালেন আর বললেন
পেছনে না তাকাতে । এটা বলেই তিনি হাটা শুরু করলেন ।
এভাবে আরো কিছুক্ষন হাটার পর আমরা যখন
বাসার আলো দেখতে পেলাম তখন
ভয়টা কেটে গেল । যদিও ম্যাচের আলো কখন
নিভে গিয়েছিল তা টের পাইনি। তবুও সেই
যাত্রা ভালোয় ভালোয় বাসা এসে পৌছেছিলাম।
পড়ে জানতে পেরেছিলাম যে ঐ জায়গাটায়
এরকম ঘটনা আরো বহুবার ঘটেছে। এখন
এটাকে কি আ্পনারা ভৌতিক ঘটনা বলবেন
না অন্যকিছু এটা আপনারাই ঠিক করুন
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
No spam comment please. I will delete out of topic comment.